আসসালামু আলাইকুম নতুন ব্লগে আপনাদের সকলকে স্বাগতম । আজকে আমরা এই ব্লগটিতে মসজিদ নিয়ে স্ট্যাটাস এবং ক্যাপশন তুলে ধরেছে ।
মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ঘর । অনেক সময় আমরা সুন্দর কোন মসজিদ দেখলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সবাইকে দেখানোর জন্য
ছবি আপলোড করে থাকিআপলোড করার জন্য ফেসবুকে অপশন এবং স্ট্যাটাস প্রয়োজন হয় সেজন্যই আজকে আমি মসজিদ নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন এবং উক্তি তুলে ধরেছি ।

মসজিদ সম্পর্কে কিছু কথাঃ
এটি হচ্ছে আল্লাহর ঘর । আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে এটি আপনার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গা ।
মসজিদ হচ্ছে চিরশান্তির স্থান । মসজিদ এমন একটি জায়গা যেখানে প্রবেশ করলে আমাদের জীবনের সমস্ত
দুঃখ কষ্ট গুলোকে আমরা ভুলে যাই । মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর জন্য ইবাদত করার জায়গা ।
প্রধানত নামাজ আদায় করার জন্যই মসজিদ তৈরি করা হয় । নামাজের আদায় করা ছাড়া আমরা বিভিন্ন ইবাদত মসজিদে করতে পারি ।
দুনিয়ার সব থেকে পবিত্র জায়গা হচ্ছে এটি । তাই আমরা যখন মসজিদে প্রবেশ করব আমাদের অবশ্যই পবিত্র থাকতে হবে ।
যখনই আমরা মসজিদে ঢুকবো আমরা চেষ্টা করব আমরা অজু করে মসজিদের ঢোকার জন্য ।
কারণ ওজুর মাধ্যমে আমরা পরিপূর্ণ পবিত্র হতে পারি । আমাদের মন খারাপ থাকলে আমরা যদি মসজিদে প্রবেশ করি তাহলে আমাদের মন ভালো হয়ে যায় ।
মসজিদে আল্লাহ নিজে অবস্থান করেন তাই আল্লাহর সামনে নিকটে যাওয়ার জন্য আমরা সবসময় মসজিদে যাব এবং মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করব ।
আল্লাহ আমাদের তার ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন । ইবাদত করার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম জায়গা হচ্ছে মসজিদ ।
আমরা যত ব্যস্ততার মধ্যেই থাকি না কেন সব সময় আমরা চেষ্টা করব আজান হওয়ার সাথে সাথে মসজিদে যাওয়ার ।
মসজিদে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে ।
Read More: এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন (২০২৩)
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জায়গা মসজিদ
পৃথিবীতে অনেক জায়গা রয়েছে তার মধ্যে সবথেকে পবিত্র জায়গা হচ্ছে মসজিদ । কারণ এই জায়গাটি আল্লাহর কাছে সবথেকে বেশি প্রিয় ।
এবং এটি আল্লাহর ঘর । আপনি দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে একটি মসজিদ নির্মাণ করলে আপনি মৃত্যুর পরে এর সওয়াব পেতে থাকবেন ।
সাধারণত দুই টি উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয় এটি হচ্ছে ওয়াক্তিয়া নামাজের জন্য আর অন্যটি হচ্ছে জুমার নামাজ আদায় করার জন্য ।
এটি মুসলমানদের জন্য ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করে । কারণ এইখানে মুসলমানরা দৈনিক পাঁচবার একসাথে মিলিত হয় ।
এজন্য মসজিদকে মুসলমানদের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় । মসজিদে আমরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন কাজ করে
থাকি যেমন কোরআন তেলাওয়াত করা এবং ধর্মীয় কোন অনুষ্ঠান উদযাপন করা । অনেক সময় প্রতিকূল অবস্থার
কারণে আমরা ঈদের নামাজ মসজিদে আদায় করে থাকি উৎসবমুখর ভাবে ।
স্ট্যাটাসঃ
১। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করলে যে অনুভূতিটা আমরা পেয়ে থাকি আর কোথাও গেলে আমরা সেই অনুভূতিটা পাই না ।
২। মসজিদে আপনি দিনে যতবারই প্রবেশ করুন আপনি কখনো ক্লান্ত হবেন না কারন মসজিদে প্রবেশ করার মধ্যে চিরশান্তি রয়েছে ।
৩। মসজিদ হচ্ছে প্রশান্তির জায়গা যেখানে প্রবেশ করলে আমরা আমাদের কষ্টগুলোকেও কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যাই ।
৪। মসজিদকে মুসলমানদের প্রাণের সাথে তুলনা করা হয় ।
৫। যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার মসজিদে যাবে এবং নামাজ পড়বে তার জীবনে কোন কষ্ট থাকবে না এবং তার মন ভালো থাকবে ।
৬। যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মাণ করবেন আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করে দিবেন। তবে সেটি যেন ঈমানদারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্য না হয় ।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
৭। আপনার মন খারাপ থাকলে আপনি মসজিদে প্রবেশ করেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে ।
৮। আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়তম স্থান হলো মসজিদ এবং সবচেয়ে নিকৃষ্টতর স্থান হল বাজার ।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
৯। যারা কি আমাকে বিশ্বাস করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে তারা মসজিদ কেউ ভয় করবে ।
১০। কেউ যদি আপনাকে মসজিদে যেতে বা মসজিদে এবাদত করতে বাধা দেয় তাহলে তার থেকে বড় নাস্তিক আর কেউ নেই ।
ফেসবুক ক্যাপশনঃ
১। মসজিদের দিকে তাকিয়ে দেখলে আমাদের মন ভরে যায় এবং চোখ জুড়িয়ে যায় ।
২। দুনিয়াবি উদ্দেশ্য না রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমাদের মসজিদ নির্মাণ করতে হবে ।
৩। যদি আপনি আল্লাহর সন নিকটে যাইতে চান এবং আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চান তাহলে আপনি মসজিদে যান
৪।আপনি যদি বেঁচে থাকতে একটি মাসজিদ নির্মাণ করে যান তাহলে আপনি মৃত্যুর পরও সওয়াব পেতেই থাকবেন ।
৫। আল্লাহর নিকট সব থেকে প্রিয় স্থান হচ্ছে মসজিদ, তাই এটি আমাদের প্রিয় স্থান হওয়া উচিত ।
৬। মসজিদের কাছে থেকেও আযান শুনেও যে ব্যক্তি মসজিদে যাবে না তার থেকে হতভাগা আর কেউ নেই ।
৭। মসজিদ হচ্ছে মুসলমানদের জন্য মূলকেন্দ্র, যেখানে যাওয়া মাত্রই আমরা সকলেই প্রশান্তি পাই ।
৮। যারা মসজিদ নির্মাণ করে তাদেরকে আল্লাহ তা’আলা অনেক বেশি পছন্দ
করেন এবং কোন ভাবে তার এই ভালো কাজের প্রতিদান দেন ।
৯। মসজিদের নির্মাণের পাশাপাশি যারা মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং মসজিদের দায়িত্ব নিয়ে পরিচালনা করেন আল্লাহ তাদেরকে খুব পছন্দ করেন ।
১০। আপনি যদি একটি মাসজিদ নির্মাণ করেন তাহলে যতদিন পর্যন্ত মানুষ সেই মসজিদে আল্লাহর
ইবাদত করবে ততদিন আপনি সোয়াব পেতে থাকবেন ।
১১। আল্লাহ তাআলার কাছে প্রিয় হওয়ার জন্য অনেক বড় একটি মাধ্যম হচ্ছে মসজিদ নির্মাণ করে ।
১২। মুসলিম নির্মাণের মাধ্যমে সমাজের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতে চাইলে আপনি সওয়াব
পাবেন না সঠিক নিয়ত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মাসজিদ নির্মাণ করতে হবে ।
১৩। মসজিদ আল্লাহর ঘর তাই সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সুগন্ধি ময় করে রাখতে হবে ।


