Responsive Menu
Add more content here...

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩ – বাংলাদেশ থেকে সকল মানুষ যে তিনটি দেশে সবচেয়ে বেশি যেতে চায় বা গিয়ে কাজ করতে চায় তার মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি মহাদেশ হলো ইউরোপ। বাংলাদেশ মানুষ এই ইউরোপে যেতে চাওয়ার সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো এর বেতনের পরিমাণ এবং উন্নত দেশ। এ দেশে বেতনের পরিমাণ অনেক বেশি অন্যান্য দেশের তুলনায়।  আজকে আমরা আলোচনা করতে চলেছি ইউরোপের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ তথা সুইডেন  এর কাজ সম্পর্কে। সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩ সুইডেনে কোন কাজের চাহিদা বেশি এমনকি কোন কাজের বেতন বেশি এই সম্পর্কে বিস্তারিত এই পোস্টে জানতে পারবেন।

আজকের এই পোষ্টে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি সুইডেনে যেতে কিভাবে আবেদন করতে হয় কাজের ভিসা কেমন এ

সম্পর্কে। তাছাড়া আরো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি সুইডেনে কোন কাজের বেতন বেশি আর কোন কাজের চাহিদা অন্যান্য

কাজের তুলনাই বেশি। তাই আপনারা যারা সুইডেনে যাওয়ার জন্য আগ্রহী তাদের জন্য এই পোস্টটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে চলুন সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেয়া যাক।

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩

সুইডেন কাজের ভিসা

বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষই সুইডেনে কাজের ভিসায় যেতে চাই এমনকি অনেক জনে গিয়েছে। আপনার অনেকেই

সুইডেনের কাজের ভিসার জন্য জেতে চাচ্ছেন। যারা কাজের ভিসার জন্য সুইডেন যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য জেনে রাখার

জরুরী যে সেখানে যেতে কত টাকা লাগে। তাছাড়া আপনি কিভাবেই বা সুইডেনে কাজের ভিসা পাবেন। আপনি যদি সুইডেনে

কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে আপনার প্রথমে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায়  অনেক দক্ষতা থাকতে হবে। কারণ সুইডেন একটি ইংরেজ প্রধান দেশ।

See also  বাংলাদেশের ৫ টি ঐতিহ্যবাহী সেতু। (Top 5 historical bridges in Bangladesh).

আপনি যদি সুইডেনে যেতে চান তাহলে আপনার প্রথমে অবশ্যই ভালো একটি দালাল ধরতে হবে বা শরণাপন্ন হতে হবে।

ভালো দালাল ধরার সুবিধা একটি যে সে আপনার সমস্ত কাজ বিশ্বস্ততার সাথে করে দিবে। তাছাড়া আপনার যদি পরিচিত

কেউ সুইডেনে থাকে তাহলে আপনার ভিসা পাওয়া আরও সহজ হয়ে যাবে।  সুইডেনে যদি আপনার পরিচিত কেউ থেকে

থাকে তাহলে আপনার সুইডেনে যেতে সব মিলিয়ে খরচ পড়বে ৭ লক্ষ টাকার মতো।

যদি সুইডেনে আপনার কোন পরিচিত না থাকে এবং আপনি যদি দালালের মাধ্যমে সুইডেনে যেতে চান তাহলে 10 থেকে 12

লক্ষ টাকা আপনার খরচ হয়ে যাবে। তাই আমার মতে আপনার সবচেয়ে প্রথমে কাজ একটি কাজ করতে হবে সেটি হলো

সুইডেনে যদি কোন পরিচিত মানুষ থাকে তাহলে তো ভালো আর যদি না থাকে তাহলে কারো মাধ্যমে পরিচিত কাউকে খুঁজে

বের করুন। যদি আপনি পরিচিত কাউকে একদমই না পান তাহলে আপনার দালাল ধরা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

সুইডেনে বেতন কত

আমরা উপরেই জানলাম যে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সুইডেনে সর্বনিম্ন বেতন। আপনি যদি ড্রাইভিং ভিসা কিংবা রেস্টুরেন্টের

যেকোন ভিসায় যেতে পারেন সুইডেন তাহলে আপনার বেতন দুই লক্ষ টাকা অনায়াসে হয়ে যাবে। তাছাড়াও প্লাম্বিং কাজ

আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয়  এই প্লাম্বিং কাজের চাহিদা সুইডেনে অনেক বেশি। তাই আপনি যদি পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার বেতন ৩ লক্ষ টাকা হয়ে যাবে।

 বর্তমানে সুইডেনের গ্লাস ফিটিং এই কাজে দুই লক্ষ টাকার উপরে বেতন ধরা হয়েছে। আর আপনি যদি মদের বাড়ি কাজ করতে

পারেন তাহলে আপনার বেতন এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অনায়াসে হয়ে যাবে এবং এখানে টিপস পাওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে টিপসহ আপনার মূল বেতন হয়ে যাবে প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকার আশেপাশে অথবা উপরে। তাই আমি

See also  ঢাকা টু টাঙ্গাইল ট্রেনের সময়সূচী টিকেট এবং ভাড়ার তালিকা

আশা করছি যে আপনি বুঝতেই পেরে গেছেন আপনার কাজের উপরেই মূলত আপনার বেতন নির্ভর করবে।

সুইডেন ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আপনাকে প্রথমেই জানিয়ে না যাক যে সুইডেনে যদি পারমিট ভিসা পেতে চান তাহলে আপনার যে কাজে যেতে চান সেই কাজের

উপর অনেক দক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ যে কাজ আপনি সুইটে নিয়ে গিয়ে করতে চাচ্ছেন সেই কাজের উপর আপনার দক্ষতার সার্টিফিকেট

দেখাতে হবে। এর পাশাপাশি আপনার ইংরেজি ভাষার প্রতি প্রচুর জ্ঞান থাকতে হবে। এসব কিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে আপনি খুব

সহজেই সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেয়ে যাবেন আপনাকে আবার বলছি দক্ষতা ব্যতীত সুইডেনে কোনরকম ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দিয়ে থাকে না।

আপনি যদি সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে চান তাহলে প্রথমে আপনার সেই কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা

অর্জন করার পর আপনি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনার আবেদন করা যদি ভালোভাবে হয়ে থাকে

তাহলে কোম্পানি থেকে আপনার দক্ষতা সার্টিফিকেট  চাইবে। তবে বর্তমানের হিসাব অনুযায়ী বলা চলে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে

সুইডেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিতে চান তাহলে আপনার একটু বেশি টাকা খরচ হতে পারে।

সুইডেন ভিসা আবেদন

আপনি যদি সুইডেনে ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে আপনার প্রথমেই যে জিনিস প্রতি জ্ঞান থাকতে হবে তা হচ্ছে ইংরেজি ভাষার

প্রতি দক্ষতা। এই ইংরেজি ভাষায় আপনাকে অনেক জ্ঞান থাকতে হবে। এরপর আপনি যে কাজের সুইডেনে যেতে চাচ্ছেন এই কাজের

উপর দক্ষতা থাকতে হবে এবং সেই দক্ষতার একটি সার্টিফিকেট থাকতে হবে। তৃতীয় তো আপনার লাগবে একটি বৈধ এবং ম্যাথ সম্পূর্ণ

পাসপোর্ট পাসপোর্ট এর সাথে আপনার চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে এবং আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি

জন্ম নিবন্ধনের আইডির ফটোকপি সর্বোপরি আপনার যত কাগজপত্র আছে এইসব কিছুর ফটোকপি দিতে হবে।

See also  শীতে সুস্থ থাকতে এইসব পানীয় পান করুন

তারপরে আপনাকে আপনার পিতা-মাতার আইডি কার্ড কিংবা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি দিতে হবে। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল

সার্টিফিকেট দিতে হবে এবং করোনা টিকার  সকল সার্টিফিকেট আপনাকে প্রদান করতে হবে। এর সকল কিছু দেওয়ার পর আপনাকে

ভালোভাবে আবেদন করতে হবে। আপনি অবশ্যই আগে খেয়াল রাখবেন আবেদন যেন সঠিকভাবে করা হয় কারণ যদি সঠিকভাবে করা

না হয় তাহলে আপনাকে বাতিল করে দিবে। তাই অবশ্যই আপনি দেখে শুনে অনেক ভালোভাবে আবেদন পত্র পূরণ করুন।

সুইডেনের ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা

বর্তমানে বাংলাদেশের ১০.62  টাকা সমপরিমাণ মূল্য হল সুইডেনের এক টাকা। যেহেতু টাকার মান স্থিতিশীল নয় সেহেতু সুইডেনের টাকার

মান কিছু কম বেশি হতে পারে এটাই স্বাভাবিক। তবে সুইডেনের টাকার মান খুব বেশি কম বা বেশি হয় না। বড়জোর কয়েক টাকা কিংবা

কয়েক পয়সা কম বেশি হয়। তবে একটি কথা বলতেই হচ্ছে যে সুইডেনের টাকার মান ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে বেরিয়ে চলেছে তাদের টাকার মান।

বাইক নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন উক্তি

রাত নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও কবিতা

নামাজ নিয়ে স্ট্যাটাস এবং ক্যাপশন

ফুল নিয়ে উক্তি স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন

1 thought on “সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top