Responsive Menu
Add more content here...

টাঙ্গাইল জেলার সকল থানা-র লিস্ট (২০২৩)

একটি জেলার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় থানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায়, বেশ কয়েকটি থানার সমাবেশ রয়েছে যেগুলো জননিরাপত্তা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এই ব্লগে, আমরা টাঙ্গাইলের নিম্নলিখিত থানাগুলি সম্পর্কে দেখব:

১. টাঙ্গাইল মডেল থানা

২. নাগরপুর থানা

৩. দেলদুয়ার থানা

৪. মির্জাপুর থানা

৫. বাসাইল থানা

৬. সখীপুর থানা

৭. কালিহাতী থানা

৮. ঘাটাইল থানা

৯. ভূনাপুর থানা

১০. ধনবাড়ী থানা

১১. মধুপুর থানা

১২. গোপালপুর থানা

১৩. বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা

আসুন এই প্রতিটি থানার সমস্ত বর্ণনা দেখে নেয়া যাক।

থানা

১. টাঙ্গাইল মডেল থানা

টাঙ্গাইল মডেল থানাটি টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম প্রধান থানা। এটি এলাকার আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেন্দ্রীয় কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

পুলিশ স্টেশনটি অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত এবং কমিউনিটি পুলিশিং সহ বিস্তৃত পরিসেবা কভার করে। টাঙ্গাইল মডেল থানার নিবেদিতপ্রাণ

কর্মকর্তা ও কর্মীরা স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও মঙ্গল নিশ্চিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

২. নাগরপুর থানা

নাগরপুর থানাটি টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ বাহিনীর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্টেশনটি নাগরপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কাজ করে ।

See also  বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ সময়সূচী বাংলাদেশ

অফিসারদের একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দল নিয়ে, নাগরপুর বাসিন্দাদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে। পুলিশ স্টেশন সক্রিয়ভাবে

সম্প্রদায়ের সাথে জড়িত, পুলিশ এবং তারা যে লোকেদের সেবা করে তাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে।

৩. দেলদুয়ার থানা

দেলদুয়ার থানাটি টাঙ্গাইল জেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা। এটি দেলদুয়ার অঞ্চলে কাজ করে, স্থানীয় জনগণকে প্রয়োজনীয় আইন

প্রয়োগকারী পরিষেবা প্রদান করে। দেলদুয়ার থানায় নিযুক্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরণের ফৌজদারি মামলা এবং জরুরী পরিস্থিতি পরিচালনা

করার জন্য প্রশিক্ষিত। তারা তাদের এখতিয়ারের মধ্যে জনগণের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করে।

৪. মির্জাপুর থানা

টাঙ্গাইল জেলার থানার মধ্যে মির্জাপুর থানাটি একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। এটি মির্জাপুর এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন

প্রয়োগকারী কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। স্টেশনটি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ

প্রতিরোধে সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মির্জাপুর থানার পুলিশ অফিসাররা ন্যায়বিচার বজায় রাখতে এবং সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিবেদিত।

৫. বাসাইল থানা

টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে বাসাইল থানা। পুলিশ স্টেশন স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি নিরাপদ

এবং নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের প্রতিশ্রুতিতে গর্বিত। বাসাইল থানার অফিসাররা সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে, সচেতনতা প্রচার

করে এবং অপরাধ প্রতিরোধের উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।

৬. সখীপুর থানা

টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর এলাকায় সখীপুর থানাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুলিশ স্টেশন স্থানীয় জনগণের মঙ্গল রক্ষার উদ্দেশ্য

নিয়ে কাজ করে। সখীপুর থানার অফিসাররা বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সম্পদে সজ্জিত।

তাদের সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্সর্গ সম্প্রদায়ের সামগ্রিক নিরাপত্তায় অবদান রাখে।

৭. কালিহাতী থানা

কালিহাতী থানাটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা। স্টেশনটি এলাকায় শান্তি, শৃঙ্খলা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার

See also  ইতালি তে কোন কাজের বেতন কত?

উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। কালিহাতী থানার অফিসাররা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের মোকাবিলা করতে, সম্প্রদায়কে সহায়তা প্রদান করতে

এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে। আইন সমুন্নত রাখা এবং ব্যক্তি অধিকার রক্ষায় তাদের অঙ্গীকার প্রশংসনীয়।

৮. ঘাটাইল থানা

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল অঞ্চলে ঘাটাইল থানার একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। পুলিশ স্টেশন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ

এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মঙ্গল নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। ঘাটাইল থানার নিবেদিত কর্মকর্তারা তাদের ক্রমাগত টহল, তদন্ত এবং

সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে।

৯. ভূনাপুর থানা

ভূনাপুর থানাটি টাঙ্গাইল জেলার ভূনাপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা। ভূনাপুর থানার অফিসাররা স্থানীয়

সম্প্রদায়ের জন্য একটি নিরাপদ এবং নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা অপরাধ প্রতিরোধ, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং যেকোনো

নিরাপত্তা উদ্বেগকে দ্রুত সমাধান করার জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করে। থানার উপস্থিতি সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে।

থানা

১০ ধনবাড়ী থানা

টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী অঞ্চলের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধনবাড়ী থানাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধনবাড়ী থানার

অফিসাররা বিভিন্ন ধরনের ফৌজদারি মামলা এবং জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত। তারা সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সংযোগ বজায়

রাখে, আস্থা বাড়ায় এবং এসিকে উৎসাহিত করে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় সহযোগিতা। পুলিশ স্টেশনের সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গি বাসিন্দাদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবদান রাখে।

১১. মধুপুর থানা

মধুপুর থানাটি টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ বাহিনীর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, মধুপুর এলাকায় সেবা করে। মধুপুর থানায় নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তারা

স্থানীয় বাসিন্দাদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তারা অপরাধ প্রতিরোধ করতে, জরুরী পরিস্থিতিতে সাড়া দিতে এবং সম্প্রদায়ে শান্তি

ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে। পুলিশ স্টেশনের সক্রিয় উদ্যোগ এবং শক্তিশালী উপস্থিতি বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা বোধে অবদান রাখে।

See also  টাঙ্গাইল জেলার সেরা ২ টি দর্শনীয় স্থান।
১২. গোপালপুর

গোপালপুর থানাটি টাঙ্গাইল জেলার একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়, যা গোপালপুর অঞ্চলে কাজ করে। গোপালপুর থানার পুলিশ অফিসাররা

আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা সক্রিয়ভাবে বাসিন্দাদের

সাথে জড়িত, পুলিশ এবং তারা যে লোকেদের সেবা করে তাদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি করে। জননিরাপত্তায় গোপালপুর থানার দায়বদ্ধতা প্রশংসনীয়।

১৩. বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব

টাঙ্গাইল জেলার থানার মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানাটি একটি বিশিষ্ট অবস্থানে রয়েছে। এটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলাকায় প্রয়োজনীয় আইন প্রয়োগকারী

পরিষেবা প্রদান করে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসাররা অপরাধ প্রতিরোধ, নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবেলা এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি

বজায় রাখার জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করে। তাদের প্রচেষ্টা বাসিন্দাদের জন্য একটি নিরাপদ এবং নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখে।

উপসংহারে বলা যায়,

 বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার থানাগুলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই স্টেশনগুলিতে নিবেদিত কর্মকর্তারা অপরাধ প্রতিরোধ করতে, জরুরী পরিস্থিতিতে সাড়া দিতে এবং বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তার বোধ

তৈরি করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা এবং ব্যক্তির অধিকার রক্ষায় তাদের অঙ্গীকার প্রশংসনীয়। সম্প্রদায়ের সাথে

সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং সক্রিয় পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে, এই থানাগুলি টাঙ্গাইলের একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবদান রাখে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

[sp_easyaccordion id=”350″]

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top