কোন কাজের বেতন বেশি জাপানে
কোন কাজের বেতন বেশি জাপানে – বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক বাজারের মধ্যে জাপানের অর্থনীতি অনেক অনেক ভালো রয়েছে। আমরা সবাই জানি
জাপান ভূমিকম্পের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। একটি ভূমিকম্প প্রবল দেশ হওয়া সত্বেও তারা অনেক দ্রুত উন্নতি
করছে যা অনেক আশ্চর্যের একটা ব্যাপার। তাদের উন্নয়ন নজর করার মত। তাদের দেশের নানান কাজের উদ্দেশ্যে নানান
দেশ থেকে অনেক শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছে। জাপানের ভিসায় বাংলাদেশ থেকেও অনেক অনেক শ্রমিক সে দেশে গিয়ে
কাজ করছে। এদের মধ্যে কিছু উচ্চ চাহিদা ও উচ্চ বেতন সম্পর্কে কিছু কাজ সম্পর্কে অনেকেরই জানার আগ্রহ আছে।
এই পোস্টটিতে আজকে আমরা এ বিষয়ে তুলে ধরবো। বর্তমান বিশ্ব পযুক্তির বিশ্ব, আপনি আপনার ঘরে বসেই ইন্টারনেটের
মাধ্যমে সবকিছু জেনে ফেলতে পারেন। আপনারা ঠিক তেমনি জানতে পারেন কোন কাজ জাপানের সবচেয়ে বেশি চাহিদার
এবং সবচেয়ে বেশি বেতনের। এখন আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরব জাপানে কোন কাজটি সবচেয়ে বেশি চাহিদা
সম্পন্ন ও উচ্চ বেতন সম্পন্ন। তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নেই এখান থেকে।
কাশফুল নিয়ে কিছু স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন
২০২৪ সালেরও এইচএসসিও হবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে
ভাওয়াল রাজবাড়ি এবং এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
একাকিত্ব নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন

কোন কাজের চাহিদা বেশি জাপানে
চাহিদার দিক থেকে বলা যায় জাপানের সবচেয়ে বেশি চাহিদার কাজ হচ্ছে কৃষিকাজ, হোটেল বয়, ক্লিনার, মালি, নার্সিং,
মেকানিক্স এই সকল কাজের চাহিদা জাপানের সবচেয়ে বেশি। জাপান অন্যান্য দেশ থেকে যে লোক নেয় এই সকল
কাজের উপর ভিত্তি করেই ভিসা তারা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ এসব কাজেই তারা ভিসা দিয়ে শ্রমিক নেয়। কৃষিকাজের উপরেই
জাপান সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। এমন কি তারা এই কৃষি কাজেই সবচেয়ে উচ্চ বেতন দিয়ে থাকে।
আমরা সবাই জানি জাপান হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার একটি আদর্শ উদাহরণ। জাপানের সব লোকজনই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
থাকতে পছন্দ করে। তাই তারা ক্লিনার পদেও অনেক অনেক শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এছাড়াও মেকানিক্যাল নার্সিং
হোটেল বয় ইত্যাদি কাজেও জাপানে চাহিদা রয়েছে অনেক। কাজেই আপনি যদি জাপানি একজন শ্রমিক হিসেবে যেতে
চান তাহলে এ সকল ভিসা দিয়েই আপনি যেতে পারেন। আপনাকে জাপান যেতে হলে অবশ্যই চার মাসে ট্রেনিং করতে হবে
এবং এই ট্রেনিংয়ে যদি আপনি টিকে যান তারপরে আপনি জাপান যেতে প্রস্তুত।
লোভ নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও কবিতা
জাপান কাজের ভিসা
শ্রমিক ভিসা নিয়ে আপনি যদি জাপানে যেতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই সেই কাজের উপর পরিপূর্ণ দক্ষ থাকতে হবে।
পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন না করা পর্যন্ত জাপানের কোন কাজের ভিসায় আপনাকে কখনোই দিবেনা। এর জন্যই মূলত তারা
মোটামুটি চার মাস ব্যাপী ট্রেনিং প্রোগ্রাম এর ব্যবস্থা করেছে। এই চার মাসে আপনাকে জাপানের ভাষা সহ কাজে দক্ষ করা
হবে। আপনি যদি ওই চার মাস ব্যাপী ট্রেনিং নিয়ে ভালো পারফরমেন্স দেখাতে পারেন তাহলে আপনি খুবই অল্প টাকা খরচ
করে জাপানে যেতে পারবেন।
আপনি যদি ট্রেনিং এ ভালোভাবে টিকে যান তাহলে আপনার শুধু বিমান ভাড়া দিতে হবে। সরকারিভাবে ও
বর্তমানে জাপানের শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আপনি যদি সরকারিভাবে জাপানে যেতে চান তাহলে আপনাকে
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে চার মাসে ধরে ট্রেনিং করতে হবে। তারপরে ট্রেনিং পাস করলে
আপনি কাজের জন্য ভিসা নিয়ে জাপানি যেতে পারবেন।
সরকারিভাবে জাপান যাওয়ার উপায়
সরকারিভাবে জাপানের যেতে হলে আপনাকে প্রথমে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ
করতে হবে। নিয়ে ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নিতে পারেন। যোগাযোগ করার পর তারা আপনাকে
জাপান ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি করে দিবে এবং সেখানে আপনার চার মাস ব্যাপী ট্রেনিং করতে হবে। এই ট্রেনিংয়ে
আপনাকে জাপানি ভাষা থেকে শুরু করে যে কাজে যাবেন সেই কাজে পারদর্শী করা হবে।
তারপর আপনি যদি ট্রেনিংয়ে পাশ করেন তাহলে জাপানের কাজের ভিসা পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে একটা অনেক
বড় সুবিধা রয়েছে ট্রেনিং পাস করার পর আপনার খুব বেশি টাকা খরচ করতে হবে না আপনাকে শুধু বিমানের ভাড়া
যাবত কিছু টাকা দিতে হবে। সুতরাং ইতি মধ্যেই আপনারা বুঝতে পারছেন আপনারা খুবই কম খরচে সরকারিভাবে যেখানে যেতে পারেন।
জাপান ভিসা আবেদন
আপনি যদি জাপানে ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই দুটি পন্থা অবলম্বন করতে হবে।
এর প্রথমটি হল সরকারিভাবে আপনি যেতে পারেন এবং আরেকটি হলো দালালের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করে
জাপানে যাওয়া। সরকারিভাবে যদি আপনি যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়
থেকে ভিসার আবেদন করতে হবে এবং আপনাকে ট্রেনিং পাস করতে হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো দালালের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করা এর মাধ্যমে আপনাকে দালালের মাধ্যমে ভিসা
আবেদন করতে হবে তারাই সকল প্রসেসিং করে দেবে। জাপানের ভিসা আপনি নিজ থেকে আবেদন করতে
পারবেন না তবে আপনি যদি পড়াশোনার জন্য জাপানে যেতে চান তাহলে আপনি নিজেই ভিসার
আবেদন করতে পারবেন আর অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজে আবেদন করতে পারবেন না।
জাপানে কোন কাজের বেতন বেশি
বর্তমানে জাপানের যে সকল কাজ রয়েছে তার মধ্যে নার্সিং ও মেকানিক্যাল কাজে বেশি বেতন দিয়ে থাকে।
তাছাড়া ও কৃষি কাজে প্রচুর বেতন দিয়ে থাকে জাপানিরা। তাই আপনি যদি বেশি বেতনের চাকরি করতে চান
তাহলে আপনার অবশ্যই নার্সিং ও কৃষি কাজের ভিসা নিয়ে যেতে হবে। নার্সিং ভিসা নিয়ে যদি আপনি জাপান
যেতে পারেন তাহলে আপনি অনায়াসে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা অনায়াসে উপার্জন করতে পারবেন।
আপনি জেনে খুশি হবেন যে জাপানি সর্বনিম্ন বেতন ধরা হয়েছে হল দুই লক্ষ টাকা এটি অবশ্যই বাংলাদেশী টাকা।
এ থেকে আপনারা অনায়াসে বুঝতে পারছেন যে জাপানে কত বেশি বেতন দিয়ে থাকে। তারপরে আপনি যদি কৃষি
কাজের ভিসা নিতে পারেন তাহলে অনায়াসে তিন থেকে চার লক্ষ এমন কি পাঁচ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
আর এক্ষেত্রে যদি আপনার প্রতিটি কাজের উপর দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে টাকা আরো বেশি পাবেন।
জাপানে সর্বনিম্ন বেতন কত
আপনারা অনেকেই আনন্দের সাথে খুশি হবেন যে জাপানের সর্বনিম্ন বেতন হলো বাংলাদেশি 2 লক্ষ টাকা।
আর আপনার কাজের দক্ষতা যদি অনেক অনেক ভালো থাকে তাহলে আপনি অনায়াসে ১০ থেকে ১২ লক্ষ
টাকা উপার্জন করতে পারেন প্রতি মাসে।
জাপানে বেতন
ধরা চলে অন্যান্য দেশের তুলনায় জাপানি কাজের বেতন অনেক অনেক ভালো। এই দেশে কাজের বেতন সর্বনিম্ন প্রতি ঘন্টায় ৯০০ টাকা ধরা হয় আর প্রতিদিন আপনার ৮ ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে। সেই হিসাব করলে আপনি প্রতি মাসে অন্তত দুই থেকে দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা অনায়াসে এবং ভালোভাবেই উপার্জন করতে পারবেন।
পরিশেষে
আজকে আমরা এই পোস্টটিতে কোন কাজের বেতন বেশি জাপানে দেখে নিলাম।
তো কেমন লাগলো আমাদের এই আজকের এই কোন কাজের বেতন বেশি জাপানে পোস্টটি আশা করি আপনাদের
অনেক ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার প্রিয় মানুষের সাথে শেয়ার করবেন। এবং আমাদের কমেন্টের
মাধ্যমে জানাবেন কেমন লাগলো। শেষ পর্যন্ত পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আশা করি এভাবে আমাদের পাশে থাকবেন।
তবে কি কমে যাবে পেঁয়াজ এর দাম
বাংলাদেশের সেরা ১০ টি গার্মেন্টস শিল্প ২০২৩
বাইক নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন উক্তি
রাত নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও কবিতা


