Responsive Menu
Add more content here...

বাড়ীর ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের দুর্দান্ত উপায়

বাড়ীর ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের দুর্দান্ত উপায়, হবে বাম্বার ফলন

বাড়ীর ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের দুর্দান্ত উপায় আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় দর্শক বৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমাদের দেশের অনেক উদ্যোগতাই বর্তমানে ড্রাগন ফল চাষে ঝুকেছে। কিন্তু পরিপূর্ণ নির্দেশনা না থাকায় তারা অধিক ফলন ফলাতে সক্ষম হয়ে উঠতে পারছে না। আজকে আমরা আলোচনা করব এই ড্রাগন ফল চাষের বৈজ্ঞানিক উপায় সম্পর্কে। চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের লেখাটি।

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের দেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। নরম শাঁস ও মিষ্ট গন্ধ যুক্ত গোলাপি বর্ণের এই ফল খেতে অনেক সুস্বাদু আর তার সাথে এই ফল ভিটামিন সি, মিনারেল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এবং ফাইবারের অন্যতম উৎস।

ড্রাগন ফ্রুট গাছ ক্যাকটাস সদৃশ্য এবং ছোট গোলাকার ফলের ভিতরের অংশ সাধারনত লাল ও সাদা বর্ণের হয়। ড্রাগন ফলের ভিতরের অংশে ছোট ছোট নরম বীজ থাকে। আমাদের দেশের আবহাওয়া ড্রাগন ফল চাষের জন্য উপযুক্ত এবং এখন পর্যন্ত পরিক্ষামূলক চাষেও ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। আপনি চাইলে বাড়ির ছাদ বাগানে বড় টবে বা ড্রামে ড্রাগন ফল চাষ করে শখ পুরণ ও পুষ্টি আহরণ দুটোই সম্পন্ন করতে পারেন। নিচে ছাদ বাগানে ড্রাগন ফল চাষ পদ্ধতি বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা হলো।

ড্রাগন ফল চাষের উত্তম সময় :

এই ড্রাগন ফল সাধারণত সারা বছরেই চাষ উপযোগী ফসল। এটি মোটামুটি শক্ত প্রজাতির গাছ

See also  অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া - যা আপনার ভাগ্যকে ঘুরিয়ে দিতে পারে।

হওয়ায় প্রায় সব ঋতুতেই চারা রোপন করতে পারেন। তবে ছাদে ড্রাগন ফল চাষ করে ভালো

ফলন পেতে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে বীচ রোপণ করার চেষ্টা করবেন এতে সুফল পাবেন।

ছাদে চাষের উপযোগী পাত্রের ধরন :

আপনার ছাদ বাগানে ড্রাগন ফল চাষ করতে পারেন মাটির টবে অথবা ড্রামে। তবে সবচেয়ে ভালো

হয় যদি আপনি ২০ ইঞ্চি আকারের ড্রাম বেছে নেন। কারণ এই আকারের ড্রামে চারা ভালোভাবে

শিকর ছড়াতে পারবে আর তাতে ফলন আরো অনেক ভালো হবে।

কেমন মাটি প্রয়োজন হবে :

যদিও প্রায় সব রকমের মাটিতে ড্রাগন ফল সহজেই চাষ করা সম্ভব। কিন্তু ভালো ফলন চাইলে অবশ্যই

উৎকৃষ্ট জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ বেলে দোঁআশ মাটিই বাছাই করতে হবে। শুরুতেই আপনাকে বেলে দোআঁশ

মাটি সংগ্রহ করে ভালো ভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। তারপর পরিমান মত গোবর, ৫০ গ্রাম পটাশ

সার ও ৫০ গ্রাম টি,এস,পি, সার সংগ্রহ করা মাটির সাথে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। সার ও মাটির

মিশ্রনে পরিমান মত পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন। এখন আপনার বাছাই করা ড্রামে সকল উপকরণ গুলো

১০ থেকে ১২ দিন রেখে দিন। তারপর ড্রামের মাটি ভালো করে খুন্তি দিয়ে ঝুরঝুরে করে আরো ৪ থেকে

৫ দিন রেখে দিন। মাটি কিছুটা শুষ্ক হয়ে উঠলে ভালো জাতের কাটিং চারা ড্রামে বা পাত্রে ভালোভাবে রোপন করুন।

আরওঃ

৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি

একাকিত্ব নিয়ে ফেসবুক ক্যাপশন কবিতা উক্তি এবং স্ট্যাটাস

মালয়েশিয়ায় সেরা কয়েকটি শ্রমিক ভিসা এর সুযোগ সুবিধা এবং বেতন

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩

অনলাইনে পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন। আবেদন ফি কত?

পারিবারিক সমস্যার জন্য ছুটির আবেদন

বাইক নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন উক্তি।

মাহামুদুল হাসান আদর্শ কলেজ।

টাঙ্গাইল জেলার সেরা ২ টি দর্শনীয় স্থান।

See also  নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য তালিকা ২০২৩

গ্রীন লাইন বাসের কাউন্টার নম্বর টিকিটের মূল্য ২০২৩ (Green Line)

সেচ ও পরিচর্যা কি করতে হবে :

ড্রাগন ফল গাছের সঠিক পরিচর্যা না করলে ফলন ভালো হবেনা। যদিও ড্রাগন ফল গাছে

তেমন একটা রোগ বালাইয়ের আক্রমন দেখা যায় না তবে পারিপার্শ্বিক অন্যান্য যত্ন নিয়মিত

নিতে হয়। চারা লাগানোর পর ড্রাম টি রোদ যুক্ত স্থানে রাখতে হবে। এটি ক্যাকটাস জাতীয়

গাছ বলে চাষে খুব বেশি পানি দিতে হয়না। চারায় পানি দেয়ার সময় লক্ষ্য রাখুন যেন গোড়ায়

পানি না জমে। ড্রামের ভিতরের বাড়তি পানি সহজেই বের করে দেবার জন্য ড্রামের নিচের দিকে

৪ থেকে ৫ টি ছিদ্র করে দিন মাটি ভরাট করার পুর্বেই। ড্রাগন গাছের ডালপালা লতার মত হওয়ার

কারনে গাছের হালকা বৃদ্ধির সাথে সাথেই খুঁটির সাথে বেঁধে দিবেন এতে করে গাছ সহজেই ঢলে পড়তে পারবে না।

ড্রাগন ফল সংগ্রহ করুন :

এই ড্রাগন ফলের কাটিং চারা রোপনের ১ বছর থেকে ১৮ মাস বয়সে ফল সংগ্রহ করা যায়।

গাছে ফুল ফোঁটার মাত্র ৩৫-৪০ দিনের মধ্যেই ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে যায়।

পরিশেষে:

বাড়ীর ছাদের টবে ড্রাগন ফল চাষের দুর্দান্ত উপায় আজকে আমরা আলোচনা করলাম ড্রাগন

ফল চাষ সম্পর্কে। আশা করা যায় বৈজ্ঞানিক উপায় গুলো সম্পর্কে ধারণা দিতে সক্ষম হয়েছি।

লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top