Responsive Menu
Add more content here...

অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া – যা আপনার ভাগ্যকে ঘুরিয়ে দিতে পারে।

অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া – যা আপনার ভাগ্যকে ঘুরিয়ে দিতে পারে

অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া খুঁজছেন? তাহলে আজকের লেখাটি আপনার জন্য।আমাদের মধ্যে অনেকের ধারণা ব্যবসা শুরু করার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এই চিন্তা করে আমরা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যবসায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সাহস হয়ে ওঠে না।

কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার দক্ষতা, পরিশ্রম, উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা দিয়ে অল্প পুঁজিতে সফলভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারেন?
আমি বলব আপনি অবশ্যই পারবেন। অল্প পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়া দেওয়ার জন্য আজকের এই লেখাটি। এখানে অল্প পুঁজিতে ব্যবসার কতগুলো আইডিয়া দেওয়া হলো, সব ব্যবসা আপনার জন্য ফিট একথা বলা যাবে না। আপনি ভাল করে চিন্তা করে দেখবেন কোন ব্যবসার জন্য আপনার আগ্রহ ও দক্ষতা আছে, সে ব্যবসায় আপনি শুরু করতে পারেন। চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের লেখাটি

১. কফিশপ

মানুষ শুধু চা পানেই অভ্যস্ত ছিল এক সময়। কিন্তু বর্তমানে আয় বাড়ার সাথে সাথে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে অনেকেই কফির দিকে ঝুঁকছে। তাই কফি প্রেমীর সংখ্যা বর্তমানে বেড়েই চলছে। অল্প পুঁজিতে আপনি একটি কফি শপ দিতে পারেন।
এক্ষেত্রে পুঁজি কম থাকলে ছোট একটা স্পেস ভাড়া করে সেখানে কিছু চেয়ার টেবিল পেতে কফির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কমার্শিয়াল জায়গা হলে ভাড়ার পরিমাণ একটু বেশি পড়বে। তবে প্রচুর গ্রাহক আশা করা যায় সেখানে। আর জমজমাট নয় এমন যায়গা হলে ভাড়া কম পড়বে তবে গ্রাহক তুলনামূলক কম পাবেন।
কফিশপ তাই শুধু কফি বিক্রি করবেন ব্যাপারটা এমন নয়। কফির সাথে ফাস্টফুড জাতীয় খাবারও বিক্রি করতে পারেন এর ফলে আপনি মুনাফা বেশি পাবেন।

২ অনলাইন সেবা ব্যবসা


অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করতে চাইলে অনলাইন সেবা ব্যবসা অন্যতম একটি উপায়। এটি একেবারে কম টাকায় শুরু করতে পারবেন। এজন্য আপনার একটা ছোট দোকানই যথেষ্ট। একটি কম্পিউটার আর বসার জন্য দুটি চেয়ার হলেই যথেষ্ট।
এই ব্যবসাটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। অনলাইনে একটি আবেদন করে দিলেই ৫০ টাকা। এজন্য আপনাকে বড়জোর ১০-১৫ মিনিট সময় দিতে করতে হবে। একটি কাগজ প্রিন্ট করে দিলেই ৫-১০ টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি ছবিও প্রিন্ট করতে পারেন।

See also  অর্থসহ শিশুদের সুন্দর ইসলামিক কিছু নাম সমূহ

৩. কনসাল্টিং বিজনেস

আপনি যদি কোন বিষয়ে খুব ভাল জানেন তাহলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ধরেন আপনি শেয়ার বাজার সম্পর্কে খুব ভাল বুঝে থাকেন তাহলে শেয়ার বাজার পরামর্শক হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া আইন, স্থাপত্য, মনোবিজ্ঞান, বিনিয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলে এই ব্যবসা শুরু করা আপনার জন্য অনেক সহজ হবে।
আপনি যদি ভাল পরামর্শ দিতে পারেন এবং সেই পরামর্শ নিয়ে যদি আপনার ক্লায়েন্ট সফল হয় তাহলে আপনার সুনাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। এর পাশাপাশি আপনার সার্ভিস ফি’ও বাড়বে। যেহেতু পরামর্শ দেওয়া একটা টেকনিক্যাল বিষয় তাই ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার দক্ষতাই হবে মূল মাপকাঠি। এখানে খরচ বলতে একটা অফিস ভাড়া নেওয়া আর চেয়ার টেবিল কেনা পর্যন্তই।

৪. ট্রাভেল এজেন্সির বিজনেস

আজকাল বেশিরভাগ মানুষ ছুটির দিনগুলো বাড়িতে কাটাতে ভালোবাসেন না। জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে মনোরম বিভিন্ন যায়গায় ঘুরতে যায়। বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ লাখ পর্যটক দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করেন। পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পর্যটন ব্যবসায় দেখা দিয়েছে নতুন একটি সম্ভাবনা। বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্টে পর্যটক বৃদ্ধির এই অবস্থার কথা উঠে এসেছে।
অল্প টাকায় আপনি খুব সহজে একটি ট্রাভেল এজেন্সি খুলতে পারেন। এখানে খরচের পরিমাণ খুব বেশি নয়। আপনাকে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হবে আর প্রচুর ট্রাভেল করার মনমানসিকতা রাখতে হবে।
এই ব্যবসা করার জন্য হোটেল মালিক এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোর সাথে ভাল যোগাযোগ থাকতে হবে যাতে সহজে এবং সাশ্রয় মূল্য আপনার গ্রাহকদের জন্য হোটেল রুম এবং বাস বা বিমানের টিকিট পাওয়া যায়।

৫. গুদাম ভাড়া ব্যবসা

গুদাম ভাড়া ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। কমার্শিয়াল এরিয়াতে যদি আপনার বাড়ি থাকে তাহলে আপনি চাইলেই এই ব্যবসা অনায়াসে শুরু করতে পারেন। বাড়ির নীচতলা গুদাম হিসেবে ভাড়া দিতে পারেন। আপনার শুধু গুদাম রক্ষণাবেক্ষণে কিছু খরচ করতে হবে।
আর যাদের বাড়ি নেই তারাও অন্যের স্থাপনা ভাড়া নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। স্থানের গুরুত্বের উপর নির্ভর করবে ভাড়া কেমন হবে। তবে নিয়মিত গ্রাহক পেলে এই ব্যবসায় ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুদামগুলো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদে ভাড়া দেওয়া হয় তাই গ্রাহক নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কোন সমস্যা নেই।

৬. ডেলিভারি ব্যবসা

অনলাইনে কেনাকাটার পরিমাণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এখন অনলাইনে তাদের পণ্য বিক্রয় করছে। বিশেষ করে করোনার মহামারীতে ই-কমার্স ব্যবসা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে পণ্য ডেলিভারি সমস্যা। এজন্য পণ্য ডেলিভারি ব্যবসার ডিমান্ড দিন দিন বেড়ে চলেছে।
আপনার পুঁজি যদি কম থাকে তাহলে আপনি ছোট পরিসরে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কয়েকজন কর্মী নিয়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার কাজ শুরু করতে পারেন। যুক্তিসঙ্গত পণ্য ডেলিভারি চার্জ রাখবেন তাহলে সহজেই গ্রাহক ধরে রাখতে পারবেন। তারপর ধীরে ধীরে কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে আপনার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।

See also  সুজুকি জিক্সার এফআই এবিএস এর মূল্য এবং সবিস্তার বিবরণী।

৭. মোবাইল রিচার্জ/ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা

অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় বলে এই ধরণের ব্যবসায় অসংখ্য মানুষ বর্তমানে নিযুক্ত হচ্ছে। এই ব্যবসা শুরু করার

জন্য আপনার খুব বেশি কিছুর দরকার পরবেনা। একটা ছোট যায়গা আর একটি টেবিল হলেই যথেষ্ট।
মোবাইল রিচার্জ/ফ্লেক্সিলোডের পাশাপাশি মোবাইলের সিম বিক্রি করতে পারেন চাইলে। আর অবশ্যই বিকাশ,

নগদ, রকেট ইত্যাদি মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস রাখতে হবে। কারণ এগুলো ছাড়া এই ব্যবসা খুব একটা জমজমাট হবে না।

৮. মোবাইল/কম্পিউটার মেরামত ব্যবসা

মোবাইল/কম্পিউটার মেরামত ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই মোবাইল বা কম্পিউটার মেরামত

করার উপর ট্রেনিং গ্রহণ করতে হবে। কারণ এগুলো টেকনিক্যাল কাজ ট্রেনিং ছাড়া এসব কাজ করা সম্ভব নয়।
এসব ব্যবসায় ইনকাম যথেষ্ট ভাল। একটি মোবাইল মেরামত করলে কমপক্ষে ১০০ টাকা পাওয়া যায়। একটু জটিল

সমস্যা হলে কয়েকশ টাকা আয় করা সম্ভব।
কম্পিউটার মেরামতে আয় অনেক বেশি। সাধারণ একটি ইউন্ডোজ সেট আপ করে দিলেই স্থানভেদে ২০০-৫০০

টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া হার্ডওয়ার বা অভ্যন্তরীণ কোন জটিল সমস্যার জন্য কয়েকশো থেকে হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

৯. ই-কমার্স ব্যবসা

উদীয়মান উদ্যোক্তাদের কাছে ই-কমার্স খুবই আকর্ষণীয় একটি বিজনেস আইডিয়া। অল্প পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়া

হিসেবে ই-কমার্সকে রাখার কারণ হচ্ছে এই ব্যবসা শুরু করার জন্য খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না।
খুব অল্প টাকায় এই ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারেন। প্রথমদিকে শুধুমাত্র ফেসবুকে একটি পেইজ খুলেই ই-কমার্স

ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। অনেক উদ্যোক্তা ফেসবুকে লাইভে এসে তাদের পণ্য প্রমোট করছে। এছাড়া কিছু অর্থ

খরচ করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিলে আপনার বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।
তবে আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে ব্যবসা করেন তাহলে আপনার একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।

কারণ ওয়েবসাইটে আপনি আপনার পণ্যগুলোকে খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে গ্রাহকদের সামনে প্রদর্শন করতে পারবেন।

১০. ওয়েবসাইট তৈরি করা

অল্প পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে ওয়েবসাইট তৈরি করা একটি কার্যকর ব্যবসার আইডিয়া হয়ে উঠতে পারে।

বর্তমানে প্রতিটি কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করছে। শুধু কোম্পানি নয় ব্যক্তি পর্যায়ে

বিভিন্ন প্রয়োজনে দেশে ওয়েবসাইট তৈরির ভির লেগে গেছে। অদূর ভবিষ্যতে নিজের জন্য ওয়েবসাইট

See also  বাংলাদেশের পতাকা

বানানোর এই ঝোঁক আরও বাড়বে আশা করা যায়।
আপনি যদি একজন ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ওয়েব ডেভেলপার

হওয়া খুব কঠিন কোন বিষয় না। কোর্স করেও আপনি ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারবেন। অনলাইনে

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার এবং ইমেইল মার্কেটিং করবেন তাহলে গ্রাহক পেতে আপনার বেশি সমস্যা হবে না।

১১. প্রুফ রিডিং বিজনেস

অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া একদিকে ওয়েবসাইট কন্টেন্টের পরিমাণ বেড়ে চলছে অন্যদিকে লেখকরাও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর বই লিখছে।

যার কারণে প্রুফ রিডারদের চাহিদাও দিন দিন বেড়ে চলেছে।
প্রুফ রিডারদের কাজ হচ্ছে লেখকদের লেখায় বানান বা বাক্য গঠনে কোন ভুল হলে সেটি বের করে সংশোধন করা

। এজন্য যারা এই কাজ করবেন তাদের বানান এবং ব্যাকরণে যথেষ্ট দক্ষ থাকতে হবে। একাগ্র চিত্তে কোন লেখা

পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে।
কয়েকজন প্রুফরিডারকে সাথে নিয়ে অল্প টাকায় আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসার জন্য

আপনার অফিস না থাকলেও কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

১২. হস্তশিল্পের ব্যবসা

হস্তশিল্পের চাহিদা এখনো অনেক বেশি। বিভিন্ন ধরণের মাটির তৈজসপত্র, শীতল পাটি, হাতপাখা, কারুকার্য

করা চাদরের অনেক চাহিদা রয়েছে। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য খুব বেশি পুজির প্রয়োজন নেই।
এসব পণ্য বিক্রি করার জন্য একটি দোকান হলে ভাল হয় যদি দোকান দেওয়ার মত সামর্থ্য না থাকে তাহলে অনলাইনে

এই ব্যবসা করতে পারেন সহজে। আবার আপনি যেসব দোকান এসব পণ্য বিক্রি করে তাদেরকে পাইকারি রেটে এসব পণ্য সাপ্লাই দিতে পারেন।

১৩. বুটিক শপ

অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া নারী উদ্যোক্তারা এই ব্যবসায় বেশি পরিমাণে আসছে। যারা কাপড়ে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভাল ডিজাইন করতে পারে

তাদের জন্য এই ব্যবসাটি উপযুক্ত। অল্প পরিমাণ টাকা দিয়ে একটি শো রুম নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি

যদি নিজে ডিজাইন করেন তাহলে ডিজাইনের খরচ বেঁচে যাবে। আর আপনি যদি ডিজাইনার নিয়োগ দেন তাহলে

ডিজাইনারের পেছনে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে।

১৪. কোচিং সেন্টার

কোচিং সেন্টার নাম শুনলেই মানুষ মনে মনে ভাবে পড়াশুনা সম্পর্কিত কোন বিষয়। কিন্তু পড়াশুনা ছাড়াও আপনি অনেক বিষয়ে কোচিং পারেন।
করাতেপড়াশুনা বিষয়ে কোচিং হচ্ছে কমন। এখানে আপনি যদি একবার জনপ্রিয় হতে পারেন তাহলে

প্রচুর ছাত্রছাত্রী পাবেন।
পড়াশুনা বাদে আপনি নাচ, গান, কবিতা আবৃতি, খেলাধুলা, শরীর চর্চার বিষয়ে কোচিং সেন্টার খুলতে পারবেন।

পরিশেষে:


অল্প পুঁজিতে কিছু ব্যবসার আইডিয়া আজকে আমরা আলোচনা করলাম অল্প পুজিতে কিছু বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে। আশা করা যায় আজকের লেখাটি

আপনাদের সকলের ভাল লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। লেখাটি

শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

More

৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি

একাকিত্ব নিয়ে ফেসবুক ক্যাপশন কবিতা উক্তি এবং স্ট্যাটাস

মালয়েশিয়ায় সেরা কয়েকটি শ্রমিক ভিসা এর সুযোগ সুবিধা এবং বেতন

সুইডেনে কাজের ভিসা ও বেতন ২০২৩

অনলাইনে পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন। আবেদন ফি কত?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top